জীবন ও বৃক্ষ - মোতাহের হোসেন চৌধুরী | এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি | Educoxbd.Com - Educoxbd.com জীবন ও বৃক্ষ - মোতাহের হোসেন চৌধুরী | এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি | Educoxbd.Com

জীবন ও বৃক্ষ - মোতাহের হোসেন চৌধুরী | এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি | Educoxbd.Com

Views
Bangla First Paper   

এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রস্তুতি।
বাংলা প্রথম পত্রের প্রস্তুতি নিন আমাদের সাথে
আজকের পর্ব এখানে শুরু করি

     জীবন ও বৃক্ষ 
মোতাহের হোসেন চৌধুরী

❑ লেখক পরিচিতিঃ

♦ নামঃ মোতাহের হোসেন চৌধুরী
♦ জন্মঃ ১৯০৩ সালে
♦ জন্মস্থানঃ নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুরে।
♦ কর্মজীবনঃ অধ্যাপক (বাংলা বিভাগ), চট্টগ্রাম কলেজ।
♦ মৃত্যুঃ ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৬ সাল (চট্টগ্রাম)


♦ তিনি “বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন” অন্যতম কান্ডারি।
♦ “বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন” কী?
– বাঙালি মুসলমান সমাজের অগ্রগতির এক যুগান্তকারী আন্দোলন।
♦ তিনি ছিলেন
—সৌন্দর্যবোধ, মুক্তবুদ্ধি-চেতনা ও মানবপ্রেমেরর আদর্শ অনুসারি।
♦ তিনি কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হোসেন, আবুল ফজল, আবদুল কাদের এর
– সহযোগী ছিলেন।
♦ তার খ্যাতি ছিলো মননশীল, চিন্তা-উদ্দীপক ও পরিশীলিত গদ্য রচয়িতা হিসেবে।
♦ মোতাহার হোসেন চৌধুরীর লেখনী ছিল
 – বাস্তব জীবনভিত্তিক।
♦ মোতাহার হোসেন চৌধুরীর প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত সমস্ত রচনা রচনাবলি-আকারে প্রকাশ করেছে
– বাংলা একাডেমি।

❑ সাহিত্য সাধনাঃ

গ্রন্থঃ সংস্কৃতি কথা (১৯৫৮), মুসলিম সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা
অনুবাদ গ্রন্থঃ ক্লাইভ বেল এর ‘Civilization’ অবলম্বনে ‘সভ্যতা’, বারট্রান্ড রাসেলের ‘Conquest of happiness’ অবলম্বনে ‘সুখ’.

❑ রচনার উৎসঃ

♦ “জীবন ও বৃক্ষ” প্রবন্ধটি তাঁর “সংস্কৃতি কথা” গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
♦ পরার্থে আত্মনিবেদিত সুকৃতিময় সার্থক বিবেকবোধসম্পন্ন মানজীবনের প্রত্যাশা থেকে মানুষের জীবনকাঠামোকে তুলনা করেছেন বৃক্ষের সঙ্গে।

❑ রচনা সম্পর্কিত গুরুপ্তপূর্ণ প্রশ্নোত্তরঃ

♦ সংসার পরিপূর্ণ কিসে?
– স্বল্পপ্রাণ স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে।
♦ ‘স্থুলবুদ্ধি’ শব্দের অর্থ
– সূক্ষ্ম বিচারবুদ্ধিহীন বা অগভীর জ্ঞানসম্পন্ন।
♦ অপরের সার্থকতার পতে অন্তরায় সৃষ্টি করা কাদের কাজ?
 – স্বল্পপ্রাণ, স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের।
♦ ‘প্রেম ও সৌন্দর্যের’ স্পর্শ লাভ করেনি বলে স্বল্পপ্রাণ, স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষেরা
– নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি।
♦ “বিকৃতবুদ্ধি” শব্দের অর্থ
– যথাযত চিন্তাচেতনাহীন।
♦ স্বল্পপ্রাণ, স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের দেবতা
– অহংকার।
♦ অহংকারের চরণে নিবেদিতপ্রাণ কারা?
– স্বল্পপ্রাণ, স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষরা।
♦ মাঝে মাঝে মানব প্রেমের কথা কারা বলে ?
 – স্বল্পপ্রাণ, স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষেরা।

♦ স্বল্পপ্রাণ ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের বানী
– আন্তরিকতাশূন্য ও উপলব্ধিহীন।
♦ স্বল্পপ্রাণ ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের স্থানে আনতে হবে
 – বড় মানুষ- (সূক্ষ্মবুদ্ধি উদারহৃদয় ও গভীরচিত্ত ব্যক্তি)

♦ সূক্ষ্মবুদ্ধি উদারহৃদয় ও গভীরচিত্ত ব্যক্তির জীবনাদর্শের প্রতীক
– সজীব বৃক্ষ

♦ সূক্ষ্মবুদ্ধি উদারহৃদয় ও গভীরচিত্ত ব্যক্তির জীবনাদর্শের প্রতীক নয়
– প্রাণহীন ছাঁচ বা কল।

♦ সজীব বৃক্ষের
– বৃদ্ধি, গতি, বিকাশ আছে।

♦ সার্থকতা ও পরিপূর্ণতার ছবি চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হবেনা
– যদি বৃক্ষের জীবনের গতি ও বিকাশ উপলব্ধি না করি।

♦ বৃক্ষের যে জিনিসটি উপলব্ধি করা দরকার
 – গতি ও বিকাশ।

♦ বৃক্ষের দিকে তাকালে কীসের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয়
– জীবনের।

♦ সজীবতা ও সার্থকতার জীবন্ত দৃষ্টান্ত কী?
 – বৃক্ষ।

♦ রবীন্দ্রনাথ মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন
 – নদীর গতির মধ্যে।

♦ রবীন্দ্রনাথের মতে মনুষ্যত্বের বেদনা উপলব্ধ হয়
– নদীর গতিতে।

♦ রবীন্দ্রনাথের মতে ফুলে ফোটা
– সহজ।

♦ রবীন্দ্রনাথের মতে নদীর গতি
– সহজ নয়।

♦ ফুলের ফোটার দিকে না তাকিয়ে রবীন্দ্রনাথের উচিৎ ছিলো
– বৃক্ষের ফুল ফোটানোর দিকে তাকানো।

♦ তপোবন-প্রেমিক কে?
 – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

♦ ‘তপোবন’ কী?
– অরণে ঋষির আশ্রম। মুনি ঋষিরা তাপস্যা করেন এমন বন।

♦ ‘তপোবন-প্রেমিক’ বলতে বোঝায়
– অরণ্য ও বৃক্ষ প্রেমিক।

♦ রবীন্দ্রনাথ মনুষ্যত্বের প্রতিক করতে চেয়েছেন – নদীকে।

♦ কল্পনা ও অনুভূতির চোখ দিয়ে উপলব্ধি করা যায় – বৃক্ষের বেদনা।

♦ ‘অনুভূতির চক্ষু’ বলতে বোঝায় – মনের চোখ।

♦ বৃক্ষের সাধনা ও মানুষের সাধনার মধ্যে সদৃশ্য রয়েছে
– ধীরস্থির ভাবে।

♦ বৃক্ষের সাধনায় মানুষের সাধনার মতো দেখা যায়
- ধীরস্থির ভাব।

♦ সজীব বৃক্ষের কাজ
– ফুলে ফলে পরিপূর্ণ হয়ে অপরের সেবার জন্য প্রস্তুত হওয়া।

♦ বৃক্ষ দোরের কাছে দাড়িয়ে অনবরত প্রচার করে
 – নতি, শান্তি ও সেবার বাণী।

♦ সাধনার ব্যাপারে একটা বড় জিনিস – প্রাপ্তি।

♦ নদীর সাগরে পতিত হওয়াটা কী? – আত্মবিসর্জন।

♦ বৃক্ষের প্রাপ্তি চোখের সামনে ফুটে ওঠে – ছবি হয়ে।

♦ সৃজনশীল মানুষের মধ্য পার্থক্য দেখা যায়না – প্রাপ্তি ও দানে।

♦ সৃজনশীল মানুষের প্রাপ্তি ও দান কেমন?
 – যা তার প্রাপ্তি, তাই তার দান।

♦ বৃক্ষের পানে তাকিয়ে রবীন্দ্রনাথ উপলব্ধি করেছেন
– অন্তরের সৃষ্টিধর্ম।

♦ নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের শোনায় – সার্থকতার গান।

♦ বৃক্ষের সার্থকতার গান শুনতে হয় – অনুভূতির কান দিয়ে।

♦ জীবন ও ধর্মের মানে – বৃদ্ধি।

♦ তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির উপর হাত নেই
 – তার নিজের।

♦ মানুষের বৃদ্ধির উপর হাত আছে – তার নিজের।

♦ মানুষের বৃদ্ধি – দৈহিক ও আত্মিক।

♦ সুখ-দুঃখ বেদনা উপলব্ধির ফলে অন্তরের যে পরিপক্বতা, তা কী?
 – আত্মা।

♦ আত্মারূপ ফল কার উপভোগ্য?
 – স্রষ্টার।

♦ মহাকবির মুখে শোনা যায় – ‘Ripeness is all’ (পরিপক্বতাই সব)

♦ “Ripeness” শব্দের অর্থ – পরিপক্বতা।

♦ “পরিপক্বতা” শব্দের অর্থ – সুপরিণতিজাত। পরিপূর্ণ বিকাশসাধন।

♦ ‘Ripeness is all’ উক্তিটি কার – William Shakespeare. (Tragedy: King Lear)

♦ আত্মাকে গড়ে তুলতে হয় – মধুর ও পুষ্ট করে।

♦ শিক্ষার বিষয়বস্তু নয় – বস্তুজিজ্ঞাসা তথা বিজ্ঞান।

♦ জীবনবোধ ও মূল্যবোধে অন্তর পরিপূর্ণ হয়না, সেজন্য লাগে
– সাহিত্য ও শিল্পকলা।

♦ বৃক্ষের যে ছবি আমাদের চোখে প্রত্যহ পড়ে
– ফুল ফোটানো ও ফল ধরানো।

♦ বৃক্ষের অঙ্কুরিত হওয়া থেকে ফলবান হওয়া পর্যন্ত কেবলই
– বৃদ্ধির ইতিহাস।

♦ জীবনের গূঢ় অর্থ সম্বন্ধে সচেতন হতে পারি
– বৃক্ষের পানে তাকিয়ে।

♦ বৃক্ষ বৃদ্ধির ইশারা, আর প্রশান্তির
– ইঙ্গিত।

♦ অতি শান্ত ও সহিষ্ণুতায় জীবনের গুরুভার বহন করে কে?
– বৃক্ষ।

♦ “জীবন ও বৃক্ষ” প্রবন্ধে ‘বুলি’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে
– গৎ-বাধা কথা হিসেবে।

সাথেই থাকুন সুস্থ থাকুন
আল্লাহ হাফেজ।



1 Comments

Previous Post Next Post